মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এবার মোট ছুটি ৬৪ দিন। ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা PDF সহ এখানে পাবেন।
২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা

বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
স্কুলের ছুটির তালিকা শুধুমাত্র বিশ্রামের জন্য নয়, বরং এটি শিক্ষাবর্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে—
- শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার চাপ থেকে মানসিক স্বস্তি পায়
- অভিভাবকরা সন্তানদের পড়ালেখা ও পারিবারিক পরিকল্পনা করতে পারেন
- শিক্ষকরা পাঠ পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন কার্যক্রম ঠিকভাবে সাজাতে পারেন
- বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম নির্ধারণ করতে পারে
২০২৬ সালের ছুটির তালিকা শিক্ষাবর্ষকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনায় সহায়তা করবে।
মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের ছুটির ধরন
বাংলাদেশে বিদ্যালয়ের ছুটিগুলো সাধারণত কয়েকটি ভাগে বিভক্ত থাকে—
১. সাপ্তাহিক ছুটি
সাধারণত শুক্রবার ও শনিবার মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে নির্ধারিত থাকে। তবে কোনো কোনো বিদ্যালয়ে শনিবার বিশেষ ক্লাস বা পরীক্ষার আয়োজন হতে পারে।
২. জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় দিবসের ছুটি
২০২৬ সালে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসগুলোতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে, যেমন—
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (২১ ফেব্রুয়ারি)
- স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ)
- জাতীয় শোক দিবস (১৫ আগস্ট)
- বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর)
এই ছুটিগুলো শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম ও ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।
৩. ধর্মীয় উৎসবের ছুটি
বাংলাদেশ একটি বহুধর্মীয় দেশ হওয়ায় বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি থাকে। যেমন—
- ঈদুল ফিতর
- ঈদুল আজহা
- দুর্গাপূজা
- বুদ্ধ পূর্ণিমা
- বড়দিন
ধর্মীয় ছুটির সময়কাল চাঁদ দেখা ও ধর্মীয় ক্যালেন্ডারের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
৪. গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন ছুটি
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীরা সাধারণত পাবে—
- গ্রীষ্মকালীন ছুটি: প্রচণ্ড গরমের সময় বিশ্রামের জন্য
- শীতকালীন ছুটি: বছরের শেষ দিকে দীর্ঘ অবকাশ হিসেবে
এই ছুটির সময় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্রাম ও আত্মউন্নয়নের সুযোগ পায়।
৫. পরীক্ষাকালীন ও বিশেষ ছুটি
এসএসসি পরীক্ষা বা বার্ষিক পরীক্ষার সময় অনেক বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস বন্ধ থাকে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সরকারি নির্দেশনায় হঠাৎ ছুটিও ঘোষণা হতে পারে।
ছুটির সময় শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ
ছুটির সময় সঠিকভাবে কাজে লাগালে পড়াশোনায় ভালো ফলাফল সম্ভব—
- প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পড়াশোনা করা
- দুর্বল বিষয়গুলো রিভিশন দেওয়া
- বই পড়া ও সৃজনশীল কাজে সময় দেওয়া
- মোবাইল ও গেমে অতিরিক্ত সময় নষ্ট না করা
অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের পড়াশোনার প্রতি উৎসাহ দেওয়া এবং একটি রুটিন তৈরি করে দেওয়া।
